
যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশসহ বেশ কিছু দেশের উৎপাদন খাতে অতিরিক্ত সক্ষমতা ও উৎপাদনের সমস্যা তদন্ত করতে শুরু করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির দপ্তর (ইউএসটিআর) বুধবার উল্লেখ করেছে যে, তারা ১৬টি দেশের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত উৎপাদনের অভিযোগের তদন্ত শুরু করছে। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার তারা ৬০টি দেশের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক শ্রম ব্যবহারের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে কিনা, তা পর্যবেক্ষণের ঘোষণা দেয়।
দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধি জ্যামিয়েসন গ্রির জানিয়েছেন, তদন্তের ফলাফলে যদি 'অন্যায্য' বাণিজ্য কার্যক্রমের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে সেই দেশের পণ্যের ওপর আমদানি শুল্ক আরোপের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জোরপূর্বক শ্রমের বিষয়টি নিয়ে গ্রির বলেন, তাদের কর্মকর্তারা মূল্যায়ন করবেন, এসব দেশ মার্কিন ব্যবসায় ক্ষতি করছে কিনা, যেহেতু তারা 'জোরপূর্বক শ্রম' ব্যবহার করে তৈরি পণ্য বিক্রি বন্ধে ব্যর্থ হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র জানায়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বারা ফেব্রুয়ারিতে আরোপিত অস্থায়ী শুল্কের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে তারা এসব তদন্ত সম্পন্ন করতে চায়। এই তদন্তের আওতায় বাংলাদেশের বিপরীতে প্রতিযোগী দেশগুলোর মধ্যে চীন, ভারত, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে ট্রাম্পের শুল্ক নীতি বাতিল হওয়ার পর এই তদন্তের ঘোষণা এসেছে।
ইউএসটিআর জানিয়েছে, তদন্ত শুরুর পর সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করা হয়েছে এবং তালিকাভুক্ত দেশের সরকারগুলোর কাছে আলোচনা আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রতিটি দেশের কাছে এ বিষয়ে ১৭ই মার্চের মধ্যে লিখিত জবাব প্রদান করতে হবে এবং মে মাসের প্রথম সপ্তাহে এই বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।